সোমবার, ৬ আগস্ট, ২০১২

e„wó †k‡l evwo wdi‡iv

ক্লান্তির বৃষ্টি নামে দু’চোখে
অঝরে।
পথ ভেজা
কে যেনো জানালায় একা একা
তোমার কথা।
পায়ে পায়ে ভেজা পথ
কমোল সাদা রুমাল, তোমার
আদরে আদরে ।


AvR evwo wdi‡iv e„wó †k‡l|
 

বৃহস্পতিবার, ১০ মে, ২০১২

কনকলতা


wbR©‡bi nv‡Z ZvjvPvwe| Ni †_‡K †e‡iv‡jB wekvLvq wekvLvq Nvm| Gw`‡K evZvm, e„wóSivey‡Ki †fZi nvmbv‡nby| Rvbjv, Miv` | wbR©‡bi Kv‡Q nvmbv‡nby | n`q, Nvm KvuUv, QvqvQwe, Avi Rvbjvfiv welbœZv|

wbR©‡bi evwo‡Z mv`v wUDejvBU R¡‡j| RjKv`v, nvmvbv‡nby..Avnv gb †O‡½ †M‡Q
Zvi Mv‡qi DËi M‡Ü..Z_vwc Lye el©v‡ZI Av‡m cvwL| †fw›U‡jUi wKsev fvOv Aviwk‡Z|

এ্যরোমেটিক

.. কোন কোন দুপুড় বেলা  যেরকম লাগে। সেরকম অপদার্থ হয়তো। খুব কষ্টে সৃষ্টে একটা ঘড়ি কিনেছি। ঘড়ি আর ঘর অদ্ভুত একটা সম্পর্ক। তবু যেসব পাপের মধ্যে বেড়ে  উঠলে কিছুটা আলাদা হতে হয়। কোন কোন দুপুড়ে নীল এসে ডাক দিয়ে নিয়ে যায় আমাকে। বৃষ্টিতে দাড়িয়ে থাকা... এক পায়ে স্যান্ডেল নেই। মর্মর ছেড়া গাছ সে জানে.. না থাকার মানে।”

ফুলের পাশে, রাজার পাশে তাই এমন পাপ জমা হয়। তুমিতো অন্য কেউ, যার সাথে দাড়াইনি কোনদিন, নিঃসঙ্গ অর্জুনের পাশে
(অর্জূন একটা বৃক্ষের নাম হতে পারে)
আমি হাত দিয়ে তোমায় ছুয়ে দেখতে চাইলাম
সে হাতগুলো, নক্ষত্রগুলো নদী হয়ে গেছে।
পাখির পায়ের মৃন্ময় ডাল
সে  জানে নিঃসঙ্গতার মানে ...
‘আহা প্রাহ্ন প্রেমিক”

তোমার বুকের নির্ঝর বৃষ্টিপাতে
একদিন দেখে ফেলেছি সব।

ফুলস্কেপ শহড়, জড়োসরো,দেয়ালের ছবি, কাগজের কথা, ভাঙ্গাচুড়া দিন, মাতাল আদ্র, দরজায় তালা, পরাজিত প্রেম শিষ দিয়ে ডাকে ..হার্দ্য। আর দোকান ঘরের কাঁদা কি যে কষ্ট হতো, জানালা হয়ে উড়ে গেছে সেসব দিন।


তাই সব রেখে এসেছি..
স্মৃতি, অভিমান.. বলতে পারা..
বাসনার ঠোট থেকে পাখি,
কৃসনোচুড়া দিন.....
আমার রাজোদ্রোহী...কৃসনোচুড়া চোখ
অরন্যের অলিভ বসনেতর মতো নেশক্রানত ঘাস

সংহৃত বেদনায় হনতারক একদিন
রেখে গেছে সব উদাসীনতা....

ঈষিকা। ডায়ালেটিক নষ্টালজিয়া।

১.
বুনো,  ধুলোময়, চন্দ্রকাঁটায়। বাকা হরফের মতোই সে; উদাসীন, মলিন। অষপষ্ট।
তাই কখনো বৃষ্টি নড়ে উঠলে, ঋদ্ধ জোসনায় হও কিছুটা... কবিতায়... তন্দ্রায়।
আহা জয়শ্রি, জাফরান মেঘে কবে ফুল ধরবে..। ”অভিধানে লিখে রেখো.. মেঘ মানে আরো কিছু হয়। আঘাত ও বঞ্চনা বটে- মেঘ শুধু জলবাষ্প নয়”।


২.
আকাশ পাতাল...কৃষএনাচুড়া না দেখে দেখে, ঢেংড়া শালিখ, “এর চেয়ে ফুফাতো ভাইয়ের সাথে প্রেম করা অনেক সহজ”। অর্থি জ্বলছে জ্বলুক...
মৃত্তিকার শালিখ হঠাৎ হাওয়ায় উড়িয়ে দিলাম। কবেকার হৃদি...ও বেলি ফুল।


৩.
নিমগ্নতা খুব ভালো লাগছে। খাটের উপর এক পা, দু’হাত মাথার পিছনে, ভাজ করা, চোখে দীর্ণ রেখাপাত,
খুব ল্যাংগুয়েটিক।বদলে গেছো..কে সে। দেখো মরে গেলে বেগুনী জারুল হবে একদিন, গোলাপের দীর্ঘস্বাসে।
তবু সে চলে গেছে।


আহা জয়শ্রি, জাফরান মেঘে কবে ফুল ধরবে।

ডুয়েট।

নিগ্রহের তিতাস, এ পাখি। খুজে দেখেছি তোমার নাম। পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায়। কিরে কথা বলিস না ক্যান। প্রেম ট্রেম,  বাড়িতে অশান্তি। ঝামেলা?
ভেজা বাতাস, ভেজা বালিসে আসলে...। হাইওয়ের কড়কড়ে রোডে জুলিয়া রবার্টস, যেতে যেতে হেটে বসন্ত নামছিলো পকেটে, ব্যাকপকেটে, ফাকা- চার দাম চার টাকা। বাবার বাড়ি,আর জানলা গলা বাতাস ওভার টার্ন করে ..ঘুরে যায়। ফিস বাবদ। বিস্বাস করুন একটা জানলা ছিলো।

কমছে কম পাঁচ দোকানে চাঁ খেয়েছি। সিগারেটের দোকানে বাকি। রিকশার প্যাডেলের সাথে দৌড়াতে দৌড়াতে হাফিয়ে গেছি। লর্ড আই এম হানড্রেড মাইলস, ফ্রম মাই হোম। এখন মুখ দেখি কালো। মাধবী তুমি আমার বনধুর চেয়েও ভালো। সনেধ্য বেলা বাড়ি ফেরো। গ্লাশ ধুয়ে রাখো। শুয়ে থাকো, বেঁচে থাকো। মাঠের ঘাসে বেড কভার এঁকে দায় স্বপ্ন কবির। একদিন এতো স্বপ্ন ছিলো এতো নিঃসঙ্গতা ছিলো। সাদা প্রখর আলোয় আমি দু-হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চাইলাম মাধবী। শাহনেওয়াজ এসকর্ট এ ভাষা বুঝবে না।

এরচেয়ে সাইনবোর্ড লেখা ভালো। “এ বাড়িতে প্রবেশ নিষেধ”। রাত বাড়ে, রাত বাড়ে, দিনের ক্ষত,রাত বাড়ে, বাড়তে বাড়তে রেডিওর গান। ডি ক্লোজ চেয়ার। ভীত পারফিউমের গন্ধে.. তখন হাত কাপতো, পা কাপতো.. যদি অভয় দিতেন.. ফড়িঙের  ডানায় আর কোনদিন রোদ বসবে না দুপুরবেলাতে। চেঁ গুয়েভারা একবার জন্মায়, জেসাস, আমি জানি বহুবার।

কিরে কথা বলিস না কেন। গাছের ডালে একটি পাখি, একটি নেই। সামান্য পটকা ফাটার শব্দে, রিকশার শব্দে, গভীর রাতের শব্দে চোখ কচঁলে কচঁলে..শিমূল ফুটিয়ে যাওয়া ট্রেন ছড়িয়ে দিতে দিতে ..আরেকটা রাত। সেটাই প্রথম পাপ, প্রথম পরাজয়। ভাবতেও পারেটি পতনটা এমন হবে। মুঠোর ভিতর হাত, নিমেষেই ছাঁই হয়ে গেলো। আর ও চোখ কচঁলে উঠে বসে। মাস মাস জমানো পাত্রের জল যেমন এক নিমেষই বুক থেকে জিঘাংসার গন্ধ নিয়ে আসে আর শব্দ আর  চিন্ময়। ছেলেছি দৌড়ে পালিয়ে গেছে.. ।

আহা ঐটুকু জানলাতে তোমরা কি চাও? ইস্পাতের খচিত কালো বর্ম চিরে-কৃঞসচুড়া জুয়াতে চুড়ি হয়ে যাবে ফুটন্ত ভাতের পাতিল। আহা ইলোরা। বিশুদধ যৌবন এবং সূর্য সেনাপতি.. সময় অসময়
পিঙগল আকাশ ছুঁয়ে, উঠে দাড়ায়, অশ্রুহীন। পিঠে এসে পড়ে কোথাকার ছন্নছাড়ার ধুলো. দিন,.. নিস্তব্দতা, স্তব্ধতা, ঠোটে আহত এবং আপোসের রঙে নীল। তারপর ফুট নোটেজে লিখে রাখা “এ্যাপোলো সুর্য দিনে.. এ ধুলোয়”। সেনাপতি, ইস্কাপনের টেক্কা, ঘোড়ার ছবি।আর হঠাৎ কখনো আকাশের বিদ্যুৎ চমকের সাথে রাশ রাশ ঘোড়ার হেস্রা, ঝড়ো বাতাসের সাথে মিশে যায়।

সন্ধ্যে হলে বাড়ি ফিরবো, সন্ধ্যে হলে বাড়ি, সন্ধ্যে হলে দোয়েল দোয়েল পকেটে ঝালমুড়ি। সন্ধ্যে হলে বাড়ি।




ওর বয়স্ক সূর্য বিম্ব মুখ - নিজেই ফেরী করে - ফুল নেবে গো ফুল। আর তখন জল কেপে জলতরঙ্গে মিশে হারাতে হারাতে.. দুলে উঠে ঘাসপাতামেঘ। যৌবন ফিরে পায় পরমতা। মৃন্ময়, ওর পায়ে বেগুনী চপ্পল। একদম পুরোনো স্বপ্ন। চেনা ফেরিওয়াল মতো। মেহগনির ছায়ায় দাড়িয়ে ছিলাম।

একদিন এ মেহগনির ছাঁয়া ছুঁেয় দেব। হৃদ্য সেফটিফিনে।


স্যাকুলারিজম-আকাশটা সো ফার

পরস্পরকে রেখে আমরা চলে যাচিছলাম।তখন রিকশার ছবি দেখা যাচিছল।
আর সিনেমার পোষ্টার এতো মিথ্যে মনে হচ্ছিলো।দিনগুলোকে সবুজ পাতার পরে কচুপাতার জলের
মতো। কেয়া ফুলগুলো দেখা যাচিছলো। অ-তে অনীল, বিলবোর্ডের  পিছনে। অ-তে
কুড়িয়ে রাখা বসন্তের নীল নির্ভার কুড়ি, কিংবা অঙ্গুর।

তবু পরস্পরকে রেখে আমরা চলে যাচিছলাম। নক্ষত্র কিংবা লিফটের মতো উচু দালান।
সেখানে ....টেষ্ট ্‌কা্যলাসের ছেলে কাঁদা মাখা পায়ে.. এতো কাচুমাচু পা’য়।
এতোটা বাতাস বয়ে গেছে, দুঃখের মতো বয়স। রানার গোধূলী আধুলে কফি-কেকের
মতো ঘুর্ণি হাওয়ায় চুল উড়িয়ে নিয়ে গেছে.. বসন্তের কোক।

সাধুদের যেমন পিত বর্ণের চুল থাকে। কড়ির বদলে দিন, দিনের বদলে কড়ি। সার্ত্রের মতো
কবি না, যে স্বদেশ, স্বজাত কিংবা স্বজাত নিয়ে ভাববে।পোষ্টারে পোষ্টারে সারা শহড় ঢেকে যায়।
শঙ্খসিড়িতে হাফবেলা বসে আফসোসের লিকার চাঁ। উন্মাদ লাল বেনে জারুল, শহরের
মশলা গন্ধে হয়ে গেছে কাকের পেইনিটংস কিংবা ..ডানা গুটানো।

স্বরবিব্ধ দৃষ্টিতে সংলাপ, হাতগুলো এলোমেলো। অধীর ফিরে এলে জিজ্ঞেশ করতাম.. ফড়িঙ্গের ডানা
ভাঙ্গার যনত্রনাকালে আসলেই কোন ব্যাথা থাকে কিনা। নাকি হলুদ জামদানীর মতো এভাবে উড়ে উড়ে যাবে দিনগুলো, মলাটবন্দি। নাকি বানীবদ্ধ প্রেমিক যুগলের মতো বেশী রাত করে..... এ শূণ্য উদ্যান। একদিন এক অচেনা মানুষের হাতে একঝাড় কৃষঞচুড়া দেখেছিলাম। তার বিষম গন্ধে.. নির্লোভ পতঙ্গের মানে....

রাত্রি বেলা অধী’র এর বাড়িতে ঢুকেই দেখে, আয়নার সামনে দাড়িয়ে, কথা বলে না। চুপচাপ পেছনে খাটের উপর বসে শুয়ে পড়ে।
ফোন করতে ভালো লাগেনি তাই ফোন করিনি।না ফোন করেছিলাম।
আচ্ছা তোমাদের দেশের বাড়ি কোথায়?
দেশ! ভরদুপুড়,বলে মুচকে হাসে।
যাহ্‌ তুমি মজা করছো! আ্‌চ্ছা ঠিক আছে এক কাজ করি, আসো আমরা দুপুড়টা  উল্টে নেই,ড়পুদু ।না হলোনা, না ভালো লাগছে না।
আচছা ঠিক আছে তোমাকে রেন্টাল কার থেকে বই এনে পড়তে দিবনে। এটা কিরকম?
যে গাড়িগুলো বই নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ায়। ব্যুফে কার।


হঠাৎ বিদ্যুত চলে যায়। ও অ্‌ন্ধকারে কথা বলে উঠে। “মোম নেই?”
”না দাড়ান”। চুপচাপ। তারপর “একটা মোম এনে দিতে পারবেন?”
বর্ষায় পথ ঘাট প্যাঁচপ্যাঁচে। সে পথ বেয়ে কোনমতে পা বাঁচিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে ও দোকান ঘরে যায়।
দোকানদারকে দেখেই মুখচোখ কঠিন হয়ে যায়। এক দৃষ্টিতে অনেকক্ষন দোকানদারের দিকে তাকিয়ে থাকে।

বিভঃ দেয়াশলাই, বৃষ্টি ভেঙে ভেঙে.. শালিখের ঠোট পেতে আজ বিশুদধ জানালার পাঠন। মিথ্যে দেয়ালের সবুজ চুন। তবু নির্জনের নাম কোনদিন মনে করতে পারিনি। একটা টেবিলের উপর আয়নার সমানে দড়িয়ে। ছোট বাড়ির ছোট একটা ঘর। এখন অঁনধকার। আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের দাত দেখে। মুখের এপাশ ওপাশ ঠোট দেখে। তারপর আয়না থেকে সরে দাড়ায়। রেলিংএর পিছনে এক দঙ্গল ছেলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে সিগারেট খাচেছ। আর কখন যেনো টুপ করে গড়িয়ে গিয়েছে চাঁদ। পাতা ঝরে পড়ে বনাঞ্চল জুড়ে। ডাউন ট্রেনের মতো পাতাঝরা। ও ছাঁয়া যুদ্ধে নেমে পরে।নৃত্যরত গাছ, সেটাও।


লেফ্‌ট সাইড টার্ন ইনটু রাইট...
অভ্যস্ত রোড, চেনা জায়গা ধুম করে বদলে যেমন অন্যরকম হয়ে যায়।এনসাইকোলোপিডিয়া থেকে তখন উড়ে আসে লেজঝুল কাকাতুয়া.. আর কাশবনলতা, বৃষ্টিতে জলরঙে মুছে দিতে দিতে ওর
সব লেফট রাইট সাইড। ডেথ অফ এ প্রিন্সেস। ফ্লাইওভার দিয়ে একদিন হারিয়ে যাব কোন এক দেশে। এটা একটা ফ্লিপার।নাকি যনেত্রর মতো বিশাল ভাড়িওয়ালা চাকার নিচে গুছে দিব তার জানালাগলানো ক্যাকটাস। অধিকন্ত এটা আরো দুরতম দেশে নিয়ে যায়, নক্ষত্রের। তখন হলুদ ফুলগুলো বাতাসে একা একা দোলো।

একদিন কনফেকশনারী দোকানের ফ্রিজ লুট করবো কর্ণ দুপুর বেলা।

রঞ্জনা আমি আর আসবোনা

আপানি এখন কি সিদ্ধান্ত  নিয়েছেন। ওকে বিয়ে করবেন।অমঃ একটু ইতস্তত করে। এই পথটা বেশ নির্জন। পথ না বলে গলিপথ বলাই ভালো। দু’পাশে একতলা দোতলা বাড়ি এইজন্য ও ইতস্তত করছিলো। ও মলির দিকে তাকায় দু’গালে ব্রুন হয়ে একটু মলিন দেখাচ্ছে।ও একটু আনমানা হয়ে ভাবে। হ্যা আমিতো বিয়ে করার জন্যই এসেছি। তা এখন কি করবেন। পলির সাথে কথা বলেছেন।না কথা বলার সময় পেলাম কোথায়। ওর বুক থেকে ছোট্ট একটু দীর্ঘস্বাস বেরিয়ে আসে। মলির সাথেও যেনো এসব ব্যাপারে সেয়ার করার জন্য লজ্জা পাচেছ। তা তুমি একটু দেখবে। কিছু করা যায় কিনা। বলে ভাবলো, ঠিকমতো ও বলতে পেরেছে তো।

বিকেলের বাতাস ওর গায়ে মেখে দিচেছ। ও কি সত্যিই প্রস'ত পলিকে বিয়ে করার জন্য। ওর সমনধ হয়ে গেছে। আজ বাদে কাল বিয়ে। ওর বাসায় সবাই এখন সেটা নিয়ে ব্যস্ত। সামাজিকতাও একটা ব্যাপার। অমঃ এর বুকটা একটু নিচের দিকে নেমে যায়।ও এমন পরিস্তিতি কেমন করে মোকাবেলা করবে। অথচ পলি চিঠিতে লিখেছে যতো তারাতারি পারো একটা কিছু করো। না হয় আমার বিয়ে হয়ে যাবে। অমঃ এর চোখটা একটু চিকচিক করে উঠে।

বুধবার, ৯ মে, ২০১২

After bangali na bagladeshi, vote issue, illiuas ussu, an industrial politics is accomplained with our republicanist politics. What so far imperialism! is it a issue for our wisest politician, public, or borocrat?

অনুপাতা

ভালোবাসি বলেই প্রেয়সী
সাদা ভাত, হলুদ ডাল, কথার দুপুড়
তোমার থৈ বনানী বুক। তাদের পথ চলা,
অশ্রু নীল কথার মতো  দুপুড়।

ভালোবাসি বলেই
ঘাসলতা কাঠগোলাপ নিজন বিজন দিন

করমচা রঙের সাদা দেয়াল, আলনা
বিষন্নের মন এখন রাত্রিবেলা

মঙ্গলবার, ৮ মে, ২০১২

মোর ভাবনারে

আজি এ প্রভাতে রবির কর

কেমনে পশিল প্রাণের ’পর,
কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাতপাখির গান!

আজ ২৫ই বৈশাখ। শ্রী রবিন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী।চারুকলার বকুলতলায় যাওয়া হবে না। কোথাও যাওয়া হবে না। ঘরে বসে থাকবো।

ওগো, নির্জনে বকুলশাখায় দোলায় কে আজ দুলিছে, দোদল দুলিছে? কিংবা মায়া বন বিহারিনী হরিণী, গহন স্বপন সঞ্চারিনী...কেন তারে ধরিবারে করি পন, অকারন..।

মোর ভাবনারে কি হাওয়া মাতাল, ও, দোলে মন
দোলে অকারন হরষে।


সোমবার, ৭ মে, ২০১২

কবি এবং ফড়িঙ


মাঝে মাঝে কোন কোন কবিকে মনে পড়ে যায়। যেমন রাশের শাহরিয়ার।


এখানেই শেষ নয়

উড়িং ফড়িং রোদ

..

অতত্রব জানালায় থেকো

রোদ দখলের রোদে।

শনিবার, ৫ মে, ২০১২

নীল

তার নীল, শরীর নীল, আঙুলগুলো নীল, নীল মেঘ।তার অশ্রুও নীল, চুলতো নীল হতে পারেনা। কথা নীল।

তার নীল কস'রীল মতো দেহ দেখে মনে হয় সর্পদংশনে..

সে দেখতে পারেনি তোমাদের এই নীল আলোর হল্কা..আনন্দ..একদিন তাই উড়ে গেল নয়নে, নীলে, আকাশে।

শুধু পদচছাপে পড়ে আছে এখনো নীলগুলো, বিস্মৃতের মতো আপনারে ভালোবেসে।

শুক্রবার, ৪ মে, ২০১২

বুদ্ধ পূর্ণিমা

আজ সিদ্ধান্ত নিলাম আমরা কজন সিদ্ধার্থ হয়ে যাব। জৈষ্ঠ্য মাসের ভরা আকাশে বুদ্ধ পূর্ণিমা দেখতে মিলিত হবো খোলা আকাশের নীচে। মহামুনি বুদ্ধ যেমন সংসারের কোলাহল, মায়া মোহ আর বিভেদ ভুলে থাকতে গৃহত্যাগী হয়েছিলেন। হারমান হেস এর সিদ্ধার্থও তেমনি তরুন বয়সে গৃহত্যাগ করে সন্নাস গ্রহণ করেছিলেন। কিন' আমরা কোথায় যাব এ ভরা বৃষ্টির বাদলের মধ্যে। তাই ঠিক করেছি কোথাও একটা কড়ই গাছ পাই কিনা। কড়ই ফুল একধরনের চেতনা নাশক। তার নিচেই আগামী ৬ই মে পূর্নিমায় শরীর ধৌত করবো। এ শহরতলীতে তো মন্দির পাওয়া যাবে না। রুপার ডালার মতো চাঁদ। তার নীচে ধ্যান করবো।


‡Zvgvi ey‡Ki wbS©i e„wócv‡Z
GKw`b †`‡L ‡d‡jwQ me| dzj‡¯‹c kno, R‡ovm‡iv,†`qv‡ji Qwe, KvM‡Ri K_v, fv½vPzov w`b, gvZvj Av`ª, `iRvq Zvjv, civwRZ †cÖg wkl w`‡q Wv‡K ..nv`©¨| Avi †`vKvb N‡ii Kuv`v wK †h Kó n‡Zv, Rvbvjv n‡q D‡o †M‡Q ‡mme w`b|