পরস্পরকে রেখে আমরা চলে যাচিছলাম।তখন রিকশার ছবি দেখা যাচিছল।
আর সিনেমার পোষ্টার এতো মিথ্যে মনে হচ্ছিলো।দিনগুলোকে সবুজ পাতার পরে কচুপাতার জলের
মতো। কেয়া ফুলগুলো দেখা যাচিছলো। অ-তে অনীল, বিলবোর্ডের পিছনে। অ-তে
কুড়িয়ে রাখা বসন্তের নীল নির্ভার কুড়ি, কিংবা অঙ্গুর।
তবু পরস্পরকে রেখে আমরা চলে যাচিছলাম। নক্ষত্র কিংবা লিফটের মতো উচু দালান।
সেখানে ....টেষ্ট ্কা্যলাসের ছেলে কাঁদা মাখা পায়ে.. এতো কাচুমাচু পা’য়।
এতোটা বাতাস বয়ে গেছে, দুঃখের মতো বয়স। রানার গোধূলী আধুলে কফি-কেকের
মতো ঘুর্ণি হাওয়ায় চুল উড়িয়ে নিয়ে গেছে.. বসন্তের কোক।
সাধুদের যেমন পিত বর্ণের চুল থাকে। কড়ির বদলে দিন, দিনের বদলে কড়ি। সার্ত্রের মতো
কবি না, যে স্বদেশ, স্বজাত কিংবা স্বজাত নিয়ে ভাববে।পোষ্টারে পোষ্টারে সারা শহড় ঢেকে যায়।
শঙ্খসিড়িতে হাফবেলা বসে আফসোসের লিকার চাঁ। উন্মাদ লাল বেনে জারুল, শহরের
মশলা গন্ধে হয়ে গেছে কাকের পেইনিটংস কিংবা ..ডানা গুটানো।
স্বরবিব্ধ দৃষ্টিতে সংলাপ, হাতগুলো এলোমেলো। অধীর ফিরে এলে জিজ্ঞেশ করতাম.. ফড়িঙ্গের ডানা
ভাঙ্গার যনত্রনাকালে আসলেই কোন ব্যাথা থাকে কিনা। নাকি হলুদ জামদানীর মতো এভাবে উড়ে উড়ে যাবে দিনগুলো, মলাটবন্দি। নাকি বানীবদ্ধ প্রেমিক যুগলের মতো বেশী রাত করে..... এ শূণ্য উদ্যান। একদিন এক অচেনা মানুষের হাতে একঝাড় কৃষঞচুড়া দেখেছিলাম। তার বিষম গন্ধে.. নির্লোভ পতঙ্গের মানে....
রাত্রি বেলা অধী’র এর বাড়িতে ঢুকেই দেখে, আয়নার সামনে দাড়িয়ে, কথা বলে না। চুপচাপ পেছনে খাটের উপর বসে শুয়ে পড়ে।
ফোন করতে ভালো লাগেনি তাই ফোন করিনি।না ফোন করেছিলাম।
আচ্ছা তোমাদের দেশের বাড়ি কোথায়?
দেশ! ভরদুপুড়,বলে মুচকে হাসে।
যাহ্ তুমি মজা করছো! আ্চ্ছা ঠিক আছে এক কাজ করি, আসো আমরা দুপুড়টা উল্টে নেই,ড়পুদু ।না হলোনা, না ভালো লাগছে না।
আচছা ঠিক আছে তোমাকে রেন্টাল কার থেকে বই এনে পড়তে দিবনে। এটা কিরকম?
যে গাড়িগুলো বই নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ায়। ব্যুফে কার।
হঠাৎ বিদ্যুত চলে যায়। ও অ্ন্ধকারে কথা বলে উঠে। “মোম নেই?”
”না দাড়ান”। চুপচাপ। তারপর “একটা মোম এনে দিতে পারবেন?”
বর্ষায় পথ ঘাট প্যাঁচপ্যাঁচে। সে পথ বেয়ে কোনমতে পা বাঁচিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে ও দোকান ঘরে যায়।
দোকানদারকে দেখেই মুখচোখ কঠিন হয়ে যায়। এক দৃষ্টিতে অনেকক্ষন দোকানদারের দিকে তাকিয়ে থাকে।
বিভঃ দেয়াশলাই, বৃষ্টি ভেঙে ভেঙে.. শালিখের ঠোট পেতে আজ বিশুদধ জানালার পাঠন। মিথ্যে দেয়ালের সবুজ চুন। তবু নির্জনের নাম কোনদিন মনে করতে পারিনি। একটা টেবিলের উপর আয়নার সমানে দড়িয়ে। ছোট বাড়ির ছোট একটা ঘর। এখন অঁনধকার। আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের দাত দেখে। মুখের এপাশ ওপাশ ঠোট দেখে। তারপর আয়না থেকে সরে দাড়ায়। রেলিংএর পিছনে এক দঙ্গল ছেলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে সিগারেট খাচেছ। আর কখন যেনো টুপ করে গড়িয়ে গিয়েছে চাঁদ। পাতা ঝরে পড়ে বনাঞ্চল জুড়ে। ডাউন ট্রেনের মতো পাতাঝরা। ও ছাঁয়া যুদ্ধে নেমে পরে।নৃত্যরত গাছ, সেটাও।
লেফ্ট সাইড টার্ন ইনটু রাইট...
অভ্যস্ত রোড, চেনা জায়গা ধুম করে বদলে যেমন অন্যরকম হয়ে যায়।এনসাইকোলোপিডিয়া থেকে তখন উড়ে আসে লেজঝুল কাকাতুয়া.. আর কাশবনলতা, বৃষ্টিতে জলরঙে মুছে দিতে দিতে ওর
সব লেফট রাইট সাইড। ডেথ অফ এ প্রিন্সেস। ফ্লাইওভার দিয়ে একদিন হারিয়ে যাব কোন এক দেশে। এটা একটা ফ্লিপার।নাকি যনেত্রর মতো বিশাল ভাড়িওয়ালা চাকার নিচে গুছে দিব তার জানালাগলানো ক্যাকটাস। অধিকন্ত এটা আরো দুরতম দেশে নিয়ে যায়, নক্ষত্রের। তখন হলুদ ফুলগুলো বাতাসে একা একা দোলো।
একদিন কনফেকশনারী দোকানের ফ্রিজ লুট করবো কর্ণ দুপুর বেলা।
আর সিনেমার পোষ্টার এতো মিথ্যে মনে হচ্ছিলো।দিনগুলোকে সবুজ পাতার পরে কচুপাতার জলের
মতো। কেয়া ফুলগুলো দেখা যাচিছলো। অ-তে অনীল, বিলবোর্ডের পিছনে। অ-তে
কুড়িয়ে রাখা বসন্তের নীল নির্ভার কুড়ি, কিংবা অঙ্গুর।
তবু পরস্পরকে রেখে আমরা চলে যাচিছলাম। নক্ষত্র কিংবা লিফটের মতো উচু দালান।
সেখানে ....টেষ্ট ্কা্যলাসের ছেলে কাঁদা মাখা পায়ে.. এতো কাচুমাচু পা’য়।
এতোটা বাতাস বয়ে গেছে, দুঃখের মতো বয়স। রানার গোধূলী আধুলে কফি-কেকের
মতো ঘুর্ণি হাওয়ায় চুল উড়িয়ে নিয়ে গেছে.. বসন্তের কোক।
সাধুদের যেমন পিত বর্ণের চুল থাকে। কড়ির বদলে দিন, দিনের বদলে কড়ি। সার্ত্রের মতো
কবি না, যে স্বদেশ, স্বজাত কিংবা স্বজাত নিয়ে ভাববে।পোষ্টারে পোষ্টারে সারা শহড় ঢেকে যায়।
শঙ্খসিড়িতে হাফবেলা বসে আফসোসের লিকার চাঁ। উন্মাদ লাল বেনে জারুল, শহরের
মশলা গন্ধে হয়ে গেছে কাকের পেইনিটংস কিংবা ..ডানা গুটানো।
স্বরবিব্ধ দৃষ্টিতে সংলাপ, হাতগুলো এলোমেলো। অধীর ফিরে এলে জিজ্ঞেশ করতাম.. ফড়িঙ্গের ডানা
ভাঙ্গার যনত্রনাকালে আসলেই কোন ব্যাথা থাকে কিনা। নাকি হলুদ জামদানীর মতো এভাবে উড়ে উড়ে যাবে দিনগুলো, মলাটবন্দি। নাকি বানীবদ্ধ প্রেমিক যুগলের মতো বেশী রাত করে..... এ শূণ্য উদ্যান। একদিন এক অচেনা মানুষের হাতে একঝাড় কৃষঞচুড়া দেখেছিলাম। তার বিষম গন্ধে.. নির্লোভ পতঙ্গের মানে....
রাত্রি বেলা অধী’র এর বাড়িতে ঢুকেই দেখে, আয়নার সামনে দাড়িয়ে, কথা বলে না। চুপচাপ পেছনে খাটের উপর বসে শুয়ে পড়ে।
ফোন করতে ভালো লাগেনি তাই ফোন করিনি।না ফোন করেছিলাম।
আচ্ছা তোমাদের দেশের বাড়ি কোথায়?
দেশ! ভরদুপুড়,বলে মুচকে হাসে।
যাহ্ তুমি মজা করছো! আ্চ্ছা ঠিক আছে এক কাজ করি, আসো আমরা দুপুড়টা উল্টে নেই,ড়পুদু ।না হলোনা, না ভালো লাগছে না।
আচছা ঠিক আছে তোমাকে রেন্টাল কার থেকে বই এনে পড়তে দিবনে। এটা কিরকম?
যে গাড়িগুলো বই নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ায়। ব্যুফে কার।
হঠাৎ বিদ্যুত চলে যায়। ও অ্ন্ধকারে কথা বলে উঠে। “মোম নেই?”
”না দাড়ান”। চুপচাপ। তারপর “একটা মোম এনে দিতে পারবেন?”
বর্ষায় পথ ঘাট প্যাঁচপ্যাঁচে। সে পথ বেয়ে কোনমতে পা বাঁচিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে ও দোকান ঘরে যায়।
দোকানদারকে দেখেই মুখচোখ কঠিন হয়ে যায়। এক দৃষ্টিতে অনেকক্ষন দোকানদারের দিকে তাকিয়ে থাকে।
বিভঃ দেয়াশলাই, বৃষ্টি ভেঙে ভেঙে.. শালিখের ঠোট পেতে আজ বিশুদধ জানালার পাঠন। মিথ্যে দেয়ালের সবুজ চুন। তবু নির্জনের নাম কোনদিন মনে করতে পারিনি। একটা টেবিলের উপর আয়নার সমানে দড়িয়ে। ছোট বাড়ির ছোট একটা ঘর। এখন অঁনধকার। আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের দাত দেখে। মুখের এপাশ ওপাশ ঠোট দেখে। তারপর আয়না থেকে সরে দাড়ায়। রেলিংএর পিছনে এক দঙ্গল ছেলে দাড়িয়ে দাড়িয়ে সিগারেট খাচেছ। আর কখন যেনো টুপ করে গড়িয়ে গিয়েছে চাঁদ। পাতা ঝরে পড়ে বনাঞ্চল জুড়ে। ডাউন ট্রেনের মতো পাতাঝরা। ও ছাঁয়া যুদ্ধে নেমে পরে।নৃত্যরত গাছ, সেটাও।
লেফ্ট সাইড টার্ন ইনটু রাইট...
অভ্যস্ত রোড, চেনা জায়গা ধুম করে বদলে যেমন অন্যরকম হয়ে যায়।এনসাইকোলোপিডিয়া থেকে তখন উড়ে আসে লেজঝুল কাকাতুয়া.. আর কাশবনলতা, বৃষ্টিতে জলরঙে মুছে দিতে দিতে ওর
সব লেফট রাইট সাইড। ডেথ অফ এ প্রিন্সেস। ফ্লাইওভার দিয়ে একদিন হারিয়ে যাব কোন এক দেশে। এটা একটা ফ্লিপার।নাকি যনেত্রর মতো বিশাল ভাড়িওয়ালা চাকার নিচে গুছে দিব তার জানালাগলানো ক্যাকটাস। অধিকন্ত এটা আরো দুরতম দেশে নিয়ে যায়, নক্ষত্রের। তখন হলুদ ফুলগুলো বাতাসে একা একা দোলো।
একদিন কনফেকশনারী দোকানের ফ্রিজ লুট করবো কর্ণ দুপুর বেলা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন