বৃহস্পতিবার, ১০ মে, ২০১২

এ্যরোমেটিক

.. কোন কোন দুপুড় বেলা  যেরকম লাগে। সেরকম অপদার্থ হয়তো। খুব কষ্টে সৃষ্টে একটা ঘড়ি কিনেছি। ঘড়ি আর ঘর অদ্ভুত একটা সম্পর্ক। তবু যেসব পাপের মধ্যে বেড়ে  উঠলে কিছুটা আলাদা হতে হয়। কোন কোন দুপুড়ে নীল এসে ডাক দিয়ে নিয়ে যায় আমাকে। বৃষ্টিতে দাড়িয়ে থাকা... এক পায়ে স্যান্ডেল নেই। মর্মর ছেড়া গাছ সে জানে.. না থাকার মানে।”

ফুলের পাশে, রাজার পাশে তাই এমন পাপ জমা হয়। তুমিতো অন্য কেউ, যার সাথে দাড়াইনি কোনদিন, নিঃসঙ্গ অর্জুনের পাশে
(অর্জূন একটা বৃক্ষের নাম হতে পারে)
আমি হাত দিয়ে তোমায় ছুয়ে দেখতে চাইলাম
সে হাতগুলো, নক্ষত্রগুলো নদী হয়ে গেছে।
পাখির পায়ের মৃন্ময় ডাল
সে  জানে নিঃসঙ্গতার মানে ...
‘আহা প্রাহ্ন প্রেমিক”

তোমার বুকের নির্ঝর বৃষ্টিপাতে
একদিন দেখে ফেলেছি সব।

ফুলস্কেপ শহড়, জড়োসরো,দেয়ালের ছবি, কাগজের কথা, ভাঙ্গাচুড়া দিন, মাতাল আদ্র, দরজায় তালা, পরাজিত প্রেম শিষ দিয়ে ডাকে ..হার্দ্য। আর দোকান ঘরের কাঁদা কি যে কষ্ট হতো, জানালা হয়ে উড়ে গেছে সেসব দিন।


তাই সব রেখে এসেছি..
স্মৃতি, অভিমান.. বলতে পারা..
বাসনার ঠোট থেকে পাখি,
কৃসনোচুড়া দিন.....
আমার রাজোদ্রোহী...কৃসনোচুড়া চোখ
অরন্যের অলিভ বসনেতর মতো নেশক্রানত ঘাস

সংহৃত বেদনায় হনতারক একদিন
রেখে গেছে সব উদাসীনতা....

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন