নিগ্রহের তিতাস, এ পাখি। খুজে দেখেছি তোমার নাম। পাড়ায় পাড়ায়, মহল্লায়। কিরে কথা বলিস না ক্যান। প্রেম ট্রেম, বাড়িতে অশান্তি। ঝামেলা?
ভেজা বাতাস, ভেজা বালিসে আসলে...। হাইওয়ের কড়কড়ে রোডে জুলিয়া রবার্টস, যেতে যেতে হেটে বসন্ত নামছিলো পকেটে, ব্যাকপকেটে, ফাকা- চার দাম চার টাকা। বাবার বাড়ি,আর জানলা গলা বাতাস ওভার টার্ন করে ..ঘুরে যায়। ফিস বাবদ। বিস্বাস করুন একটা জানলা ছিলো।
কমছে কম পাঁচ দোকানে চাঁ খেয়েছি। সিগারেটের দোকানে বাকি। রিকশার প্যাডেলের সাথে দৌড়াতে দৌড়াতে হাফিয়ে গেছি। লর্ড আই এম হানড্রেড মাইলস, ফ্রম মাই হোম। এখন মুখ দেখি কালো। মাধবী তুমি আমার বনধুর চেয়েও ভালো। সনেধ্য বেলা বাড়ি ফেরো। গ্লাশ ধুয়ে রাখো। শুয়ে থাকো, বেঁচে থাকো। মাঠের ঘাসে বেড কভার এঁকে দায় স্বপ্ন কবির। একদিন এতো স্বপ্ন ছিলো এতো নিঃসঙ্গতা ছিলো। সাদা প্রখর আলোয় আমি দু-হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চাইলাম মাধবী। শাহনেওয়াজ এসকর্ট এ ভাষা বুঝবে না।
এরচেয়ে সাইনবোর্ড লেখা ভালো। “এ বাড়িতে প্রবেশ নিষেধ”। রাত বাড়ে, রাত বাড়ে, দিনের ক্ষত,রাত বাড়ে, বাড়তে বাড়তে রেডিওর গান। ডি ক্লোজ চেয়ার। ভীত পারফিউমের গন্ধে.. তখন হাত কাপতো, পা কাপতো.. যদি অভয় দিতেন.. ফড়িঙের ডানায় আর কোনদিন রোদ বসবে না দুপুরবেলাতে। চেঁ গুয়েভারা একবার জন্মায়, জেসাস, আমি জানি বহুবার।
কিরে কথা বলিস না কেন। গাছের ডালে একটি পাখি, একটি নেই। সামান্য পটকা ফাটার শব্দে, রিকশার শব্দে, গভীর রাতের শব্দে চোখ কচঁলে কচঁলে..শিমূল ফুটিয়ে যাওয়া ট্রেন ছড়িয়ে দিতে দিতে ..আরেকটা রাত। সেটাই প্রথম পাপ, প্রথম পরাজয়। ভাবতেও পারেটি পতনটা এমন হবে। মুঠোর ভিতর হাত, নিমেষেই ছাঁই হয়ে গেলো। আর ও চোখ কচঁলে উঠে বসে। মাস মাস জমানো পাত্রের জল যেমন এক নিমেষই বুক থেকে জিঘাংসার গন্ধ নিয়ে আসে আর শব্দ আর চিন্ময়। ছেলেছি দৌড়ে পালিয়ে গেছে.. ।
আহা ঐটুকু জানলাতে তোমরা কি চাও? ইস্পাতের খচিত কালো বর্ম চিরে-কৃঞসচুড়া জুয়াতে চুড়ি হয়ে যাবে ফুটন্ত ভাতের পাতিল। আহা ইলোরা। বিশুদধ যৌবন এবং সূর্য সেনাপতি.. সময় অসময়
পিঙগল আকাশ ছুঁয়ে, উঠে দাড়ায়, অশ্রুহীন। পিঠে এসে পড়ে কোথাকার ছন্নছাড়ার ধুলো. দিন,.. নিস্তব্দতা, স্তব্ধতা, ঠোটে আহত এবং আপোসের রঙে নীল। তারপর ফুট নোটেজে লিখে রাখা “এ্যাপোলো সুর্য দিনে.. এ ধুলোয়”। সেনাপতি, ইস্কাপনের টেক্কা, ঘোড়ার ছবি।আর হঠাৎ কখনো আকাশের বিদ্যুৎ চমকের সাথে রাশ রাশ ঘোড়ার হেস্রা, ঝড়ো বাতাসের সাথে মিশে যায়।
সন্ধ্যে হলে বাড়ি ফিরবো, সন্ধ্যে হলে বাড়ি, সন্ধ্যে হলে দোয়েল দোয়েল পকেটে ঝালমুড়ি। সন্ধ্যে হলে বাড়ি।
ওর বয়স্ক সূর্য বিম্ব মুখ - নিজেই ফেরী করে - ফুল নেবে গো ফুল। আর তখন জল কেপে জলতরঙ্গে মিশে হারাতে হারাতে.. দুলে উঠে ঘাসপাতামেঘ। যৌবন ফিরে পায় পরমতা। মৃন্ময়, ওর পায়ে বেগুনী চপ্পল। একদম পুরোনো স্বপ্ন। চেনা ফেরিওয়াল মতো। মেহগনির ছায়ায় দাড়িয়ে ছিলাম।
একদিন এ মেহগনির ছাঁয়া ছুঁেয় দেব। হৃদ্য সেফটিফিনে।
ভেজা বাতাস, ভেজা বালিসে আসলে...। হাইওয়ের কড়কড়ে রোডে জুলিয়া রবার্টস, যেতে যেতে হেটে বসন্ত নামছিলো পকেটে, ব্যাকপকেটে, ফাকা- চার দাম চার টাকা। বাবার বাড়ি,আর জানলা গলা বাতাস ওভার টার্ন করে ..ঘুরে যায়। ফিস বাবদ। বিস্বাস করুন একটা জানলা ছিলো।
কমছে কম পাঁচ দোকানে চাঁ খেয়েছি। সিগারেটের দোকানে বাকি। রিকশার প্যাডেলের সাথে দৌড়াতে দৌড়াতে হাফিয়ে গেছি। লর্ড আই এম হানড্রেড মাইলস, ফ্রম মাই হোম। এখন মুখ দেখি কালো। মাধবী তুমি আমার বনধুর চেয়েও ভালো। সনেধ্য বেলা বাড়ি ফেরো। গ্লাশ ধুয়ে রাখো। শুয়ে থাকো, বেঁচে থাকো। মাঠের ঘাসে বেড কভার এঁকে দায় স্বপ্ন কবির। একদিন এতো স্বপ্ন ছিলো এতো নিঃসঙ্গতা ছিলো। সাদা প্রখর আলোয় আমি দু-হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চাইলাম মাধবী। শাহনেওয়াজ এসকর্ট এ ভাষা বুঝবে না।
এরচেয়ে সাইনবোর্ড লেখা ভালো। “এ বাড়িতে প্রবেশ নিষেধ”। রাত বাড়ে, রাত বাড়ে, দিনের ক্ষত,রাত বাড়ে, বাড়তে বাড়তে রেডিওর গান। ডি ক্লোজ চেয়ার। ভীত পারফিউমের গন্ধে.. তখন হাত কাপতো, পা কাপতো.. যদি অভয় দিতেন.. ফড়িঙের ডানায় আর কোনদিন রোদ বসবে না দুপুরবেলাতে। চেঁ গুয়েভারা একবার জন্মায়, জেসাস, আমি জানি বহুবার।
কিরে কথা বলিস না কেন। গাছের ডালে একটি পাখি, একটি নেই। সামান্য পটকা ফাটার শব্দে, রিকশার শব্দে, গভীর রাতের শব্দে চোখ কচঁলে কচঁলে..শিমূল ফুটিয়ে যাওয়া ট্রেন ছড়িয়ে দিতে দিতে ..আরেকটা রাত। সেটাই প্রথম পাপ, প্রথম পরাজয়। ভাবতেও পারেটি পতনটা এমন হবে। মুঠোর ভিতর হাত, নিমেষেই ছাঁই হয়ে গেলো। আর ও চোখ কচঁলে উঠে বসে। মাস মাস জমানো পাত্রের জল যেমন এক নিমেষই বুক থেকে জিঘাংসার গন্ধ নিয়ে আসে আর শব্দ আর চিন্ময়। ছেলেছি দৌড়ে পালিয়ে গেছে.. ।
আহা ঐটুকু জানলাতে তোমরা কি চাও? ইস্পাতের খচিত কালো বর্ম চিরে-কৃঞসচুড়া জুয়াতে চুড়ি হয়ে যাবে ফুটন্ত ভাতের পাতিল। আহা ইলোরা। বিশুদধ যৌবন এবং সূর্য সেনাপতি.. সময় অসময়
পিঙগল আকাশ ছুঁয়ে, উঠে দাড়ায়, অশ্রুহীন। পিঠে এসে পড়ে কোথাকার ছন্নছাড়ার ধুলো. দিন,.. নিস্তব্দতা, স্তব্ধতা, ঠোটে আহত এবং আপোসের রঙে নীল। তারপর ফুট নোটেজে লিখে রাখা “এ্যাপোলো সুর্য দিনে.. এ ধুলোয়”। সেনাপতি, ইস্কাপনের টেক্কা, ঘোড়ার ছবি।আর হঠাৎ কখনো আকাশের বিদ্যুৎ চমকের সাথে রাশ রাশ ঘোড়ার হেস্রা, ঝড়ো বাতাসের সাথে মিশে যায়।
সন্ধ্যে হলে বাড়ি ফিরবো, সন্ধ্যে হলে বাড়ি, সন্ধ্যে হলে দোয়েল দোয়েল পকেটে ঝালমুড়ি। সন্ধ্যে হলে বাড়ি।
ওর বয়স্ক সূর্য বিম্ব মুখ - নিজেই ফেরী করে - ফুল নেবে গো ফুল। আর তখন জল কেপে জলতরঙ্গে মিশে হারাতে হারাতে.. দুলে উঠে ঘাসপাতামেঘ। যৌবন ফিরে পায় পরমতা। মৃন্ময়, ওর পায়ে বেগুনী চপ্পল। একদম পুরোনো স্বপ্ন। চেনা ফেরিওয়াল মতো। মেহগনির ছায়ায় দাড়িয়ে ছিলাম।
একদিন এ মেহগনির ছাঁয়া ছুঁেয় দেব। হৃদ্য সেফটিফিনে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন