বৃহস্পতিবার, ১০ মে, ২০১২

রঞ্জনা আমি আর আসবোনা

আপানি এখন কি সিদ্ধান্ত  নিয়েছেন। ওকে বিয়ে করবেন।অমঃ একটু ইতস্তত করে। এই পথটা বেশ নির্জন। পথ না বলে গলিপথ বলাই ভালো। দু’পাশে একতলা দোতলা বাড়ি এইজন্য ও ইতস্তত করছিলো। ও মলির দিকে তাকায় দু’গালে ব্রুন হয়ে একটু মলিন দেখাচ্ছে।ও একটু আনমানা হয়ে ভাবে। হ্যা আমিতো বিয়ে করার জন্যই এসেছি। তা এখন কি করবেন। পলির সাথে কথা বলেছেন।না কথা বলার সময় পেলাম কোথায়। ওর বুক থেকে ছোট্ট একটু দীর্ঘস্বাস বেরিয়ে আসে। মলির সাথেও যেনো এসব ব্যাপারে সেয়ার করার জন্য লজ্জা পাচেছ। তা তুমি একটু দেখবে। কিছু করা যায় কিনা। বলে ভাবলো, ঠিকমতো ও বলতে পেরেছে তো।

বিকেলের বাতাস ওর গায়ে মেখে দিচেছ। ও কি সত্যিই প্রস'ত পলিকে বিয়ে করার জন্য। ওর সমনধ হয়ে গেছে। আজ বাদে কাল বিয়ে। ওর বাসায় সবাই এখন সেটা নিয়ে ব্যস্ত। সামাজিকতাও একটা ব্যাপার। অমঃ এর বুকটা একটু নিচের দিকে নেমে যায়।ও এমন পরিস্তিতি কেমন করে মোকাবেলা করবে। অথচ পলি চিঠিতে লিখেছে যতো তারাতারি পারো একটা কিছু করো। না হয় আমার বিয়ে হয়ে যাবে। অমঃ এর চোখটা একটু চিকচিক করে উঠে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন